পেকুয়া প্রতিনিধি;
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় চট্টগ্রাম কৃষি অঞ্চলের টেকসই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রদর্শনীভুক্ত কৃষক-কৃষাণীদের মাঝে বিভিন্ন কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সম্প্রসারণ, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন এবং কৃষির বাণিজ্যিকীকরণে সহায়তা করতেই এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকাল ১১টায় পেকুয়া উপজেলা কৃষি অফিস চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ১৫ জন প্রদর্শনীভুক্ত কৃষক-কৃষাণীর হাতে কৃষি উপকরণ তুলে দেওয়া হয়।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, প্রকল্পের আওতায় পারিবারিক পুষ্টি বাগান, ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদন, একক ও মিশ্র ফলবাগান স্থাপন, তরমুজ চাষ, পান চাষ এবং সার্জন পদ্ধতিতে সবজি ও ফল উৎপাদন প্রদর্শনীর জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন উপকরণ সরবরাহ করা হয়েছে। বিতরণকৃত উপকরণের মধ্যে ছিল উন্নতমানের বীজ ও চারা, জৈব ও রাসায়নিক সার, বালাইনাশক, মালচিং পেপার, ফেরোমন ফাঁদ, আঠালো ফাঁদ, ঘেরাবেড়ার নেট, রশি, চালুনি, প্রদর্শনী সাইনবোর্ডসহ অন্যান্য কৃষি উপকরণ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফারুক হোসেন চৌধুরী। এছাড়া উপজেলা কৃষি অফিসের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাবৃন্দ, প্রদর্শনীভুক্ত কৃষক-কৃষাণী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফারুক হোসেন চৌধুরী বলেন, “চট্টগ্রাম কৃষি অঞ্চলের টেকসই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সম্প্রসারণ, নিরাপদ ফসল উৎপাদন এবং কৃষির বাণিজ্যিকীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। কৃষকদের হাতে প্রয়োজনীয় উপকরণ পৌঁছে দিয়ে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং লাভজনক কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলাই এ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।”
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, “কৃষি বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। সরকার কৃষি খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এ ধরনের প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত করার পাশাপাশি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি ও নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।”
